শামির সামনে বেন স্টোকস, কোনভাবেই শামির সামনে দাঁড়াতে পারেননি ইংল্যান্ডের এই তারকা ক্রিকেটার

তিনি আরো জানিয়েছেন যে আমি যদি ক্যাপ্টেন হতাম কোনভাবেই আমি আপিল করতাম না এবং যখন ম্যাথিউস সাকিবকে এই আবেদন খারিজ করার জন্য জিজ্ঞাসা করে তখনও পর্যন্ত সাকিব বলে দিয়েছে যে এই আবেদন আমরা ফিরিয়ে নেব না সুতরাং ক্রিকেটের ময়দানে খুব বাজে একটা ঘটনা ঘটালো বাংলাদেশ দল। মিসবাহ বলছেন যে আমার যদি উইকেট নিতে হয় আমি বোলারদের দিয়ে ভালো বোলিং করবে তারপরে উইকেট নেওয়া টা আশা করব কোনভাবেই এই ধরনের কান্ড ঘটিয়ে কোন ব্যাটসম্যানকে আউট করতে চাইবো না।

মিসবাহ উল হক একা নন সারা বিশ্ব ক্রিকেটে প্রত্যেকেই সাকিব আল হাসানের এই কান্ডকে তীব্র সমালোচনা এবং ধিক্কার জানিয়েছে। এমনকি সাকিব আল হাসান নিজের দেশের সাংবাদিক থেকে শুরু করে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ কারোর সমর্থন পাননি। শুধুমাত্র কিছু বুদ্ধি বিহীন ফলোয়ার আছেন যারা চোখ বন্ধ করে ফলো করেন তারা এই কান্ড নিয়ে ভীষণ খুশি। বুদ্ধি বিহীন ফলোয়াররা বুঝতে পারছে না যে সারা বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ কতটা বদনাম হলো, বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এবার কোন চোখে দেখা হবে সেটা তারা বুঝতে পারল না।।

```

এমনিতেই বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেভাবে কোন সম্মান নেই কারণ তার কোথাও কোনো ম্যাচ জিততে পারে না সুতরাং এই কান্ড ঘটিয়ে তাদের ক্রিকেটারদের যে সামান্য টুকু সম্মান ছিল বিশেষত সাকিব একজন সিনিয়র প্লেয়ার এবং তিনি বিশ্ব ক্রিকেটের অনেক জায়গাতেই লিগ খেলে থাকেন। যে কাজ তিনি করলেন তাতে করে আরো একবার বিশ্ব ক্রিকেটের সামনে বেইজ্জত হলো বাংলাদেশ ক্রিকেট।।ম্যাথিউস জানিয়েছেন যে এটা যদি বাংলাদেশ ছাড়া অন্য যেকোনো দল হত এই ধরনের ঘটনা কারণ এতটা নির্লজ্জ কাজ বাংলাদেশ ছাড়া আর কেউ করতে পারে না।

বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকার ম্যাচে ঘটে গেছে ক্রিকেট ইতিহাসের সব থেকে বড় বিতর্কিত ঘটনা এবং ক্রিকেট ইতিহাসের 146 বছরের যে ইতিহাস তার মধ্যে প্রথমবার কোন ব্যাটসম্যানকে ঠিক সময়ে ব্যাটিং করতে না নামার জন্য আউট দেওয়া হয়েছে যা ভীষণভাবে বিতর্কিত। ব্যাটসম্যান পুরোপুরিভাবে রেডি ছিল দু মিনিটের মধ্যে এই বিষয়টা আমরা স্টার স্পোর্টস এর ভিডিও থেকে দেখতেই পেয়েছি কিন্তু এই সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে একজন ক্যাপ্টেন হিসেবে সেখানে আপিল করা কি ঠিক হয়েছে এবং তার কি করা উচিত ছিল সেই নিয়ে সাকিব আল হাসান কে তুলধনা করলেন মিসবা উল হক।

```

তিনি আরো জানিয়েছেন যে এখানে সাকিব অবশ্যই আপিল করতে পারত যদি তাদের এই কাজের জন্য ম্যাচের উপরে কোন এফেক্ট পড়তো, অর্থাৎ বাংলাদেশের বোলাররা খুব ভালো বোলিং ফর্মে থাকলে ম্যাথিউস যদি ইচ্ছে করে দেরি করে আসেন যাতে বাংলাদেশের বোলারদের ছন্দ খারাপ হয় এই ধরনের ক্ষেত্রে আপিল করা যায়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে অবশ্যই একটা ইকুইপমেন্ট ফেল হয়েছে, হেলমেট ভেঙেছে, এখানে আপিল করা সাজে না।

পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন মিসবা উল হক জানিয়েছেন যে “কোনভাবেই শাকিব আল হাসানের এখানে আপিল করাটা সাজে না, তোমরা এখানে খেলতে এসেছ এবং ভালো ক্রিকেট খেলো এটাই তোমাদের কাছ থেকে মানুষ দেখতে চাইছে তোমরা ক্রিকেটের ময়দানে এই ধরনের কান্ড ঘটিয়ে কোনভাবেই একটা ভালো কাজ করো নি।”