চরম দুঃসংবাদ: বাংলাদেশের কাছে পরাজয়ের পরেই ভারতীয় দলকে চরম শাস্তি দল ICC

বাংলাদেশের কাছে ম্যাচ হারের পর টিম ইন্ডিয়ার জন্য যে আরও খারাপ খবর অপেক্ষা করছে, সেটা বোধহয় আগে থেকে কেউ কল্পনাও করতে পারেননি। একে তো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে ভারতীয় ক্রিকেট দল ১ উইকেটে হেরে গিয়েছে। তার উপরে এবার জুড়ে বসল স্লো ওভার রেটের খাঁড়া। ইতিমধ্যেই রবিবারের ম্যাচে স্লো ওভার রেটের কারণে টিম ইন্ডিয়ার ৮০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা হিসেবে ধার্য করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও রোহিত শর্মার দল ওভার সম্পূর্ণ করতে পারেনি। তখনও পর্যন্ত ৪ ওভার কম ছিল। তাই জরিমানার পাশাপাশি আরও একটি শাস্তি দিয়েছেন।

আর সেকারণেই ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মধুগলে এই জরিমানা তো ধার্য করেইছেন। পাশাপাশি টিম ইন্ডিয়ার পাশে ১ পেনাল্টি পয়েন্টও যুক্ত হয়ে গিয়েছে।আইসিসি-র শৃঙ্খলাবিধির ২.২২ ধারা অনুসারে, যদি কোনও দল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট ওভার শেষ করতে না পারে, সেক্ষেত্রে ওই দলের খেলোয়ার সহ সাপোর্ট স্টাফদেরও ওভার প্রতি ২০ শতাংশ করে ম্যাচ ফি কেটে নেওয়া হয়। আর ভারতীয় ক্রিকেট দল যেহেতু ৪ ওভার কম করেছিল, সেক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ ম্যাচ ফি কেটে নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা ইতিমধ্যেই টিম ইন্ডিয়ার হয়ে দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন। সেইসঙ্গে জরিমানার অঙ্কও মাথা পেতে গ্রহণ করেছেন।

ফলে আলাদা করে আর কোনও শুনানির দরকার পড়েনি।এই প্রসঙ্গে আপনাদের জানিয়ে রাখি, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ আয়োজন করা হচ্ছে। প্রতিটা ম্যাচই মীরপুরের শের-এ-বাংলা স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে। এই সিরিজে ভারতীয় ক্রিকেট দল আপাতত ০-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে। এই ম্যাচে টিম ইন্ডিয়া ১ উইকেটে পরাস্ত হয়েছে। টসে জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক লিটন দাস। তামিম ইকবাল চোট পাওয়ার কারণে এই ম্যাচে তিনি টাইগার বাহিনীকে নেতৃত্ব দিলেন। যাইহোক, এই ম্যাচে ভারতীয় ক্রিকেট দলের টপ অর্ডার কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছিল।

মিডল অর্ডারে একমাত্র কেএল রাহুলের হাফসেঞ্চুরি ছাড়া আর কেউ সেভাবে বড় রান করতে পারেননি। আর সেই সুবাদেই ভারতীয় ক্রিকেট দল মাত্র ১৮৬ রানে অলআউট হয়ে যায়। পাঁচ উইকেট শিকার করেন সাকিব আল হাসান।এরপর ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। টাইগারদের শুরুটাও অবশ্য খুব একটা ভালো হয়নি। প্রথম বলেই উইকেট শিকার করেছিলে দীপক চাহার। কিন্তু, তারপর সাকিব আল হাসান এবং লিটন দাস জুটি বাঁধতে শুরু করেন।

তাঁরা বাংলাদেশের স্কোরবোর্ড কিছুটা হলেও সচল রাখার চেষ্টা করেন। তবে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার এই ম্যাচে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। কিন্তু, দশম উইকেটে মেহদি হাসান মিরাজ এবং মুস্তাফিজুর রহমানের ‘ঐতিহাসিক’ ৫১ রানের পার্টনারশিপ টিম ইন্ডিয়ার যাবতীয় স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেয়। ১ উইকেটে জয়লাভ করে বাংলাদেশ।