মৃত্যুর ৪২ বছর পরও বাঙালির মনের মণিকোঠায় ‘মহানায়ক’ একজনই

রবিবার ২৪ শে জুলাই ছিল বাঙালির মন খারাপের সেই দিন, ১৯৮০ সালের সেই ২৪ শে জুলাই এর দিনে পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন বাঙালির অত্যন্ত কাছের মানুষ উত্তম কুমার। পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও তাকে সারা জীবনের জন্য মনের মনিকোঠায় আশ্রয় দিয়েছেন আপামর বাঙালি। আজ যখন রাজ্য সরকারের মহানায়ক সম্মান নিয়ে তোলপাড় হয়েছে নেট মাধ্যম তখন ভীষণ প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে সেই মহানায়ক এর সম্পর্কে জানা।

উত্তম কুমার এমন একজন ব্যক্তি যিনি তার অভিনয় দিয়ে শুধু বাংলা কেন সারা ভারতের মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। বর্তমান মুহূর্তে দাঁড়িয়ে যেখানে বাংলা সিনেমা একটা বড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে একটা বড় অংশের বাঙালি মানুষ বাংলা সিনেমা দেখেনি না তার কারণ হলো দক্ষিণ সিনেমা থেকে একের পর এক ছবিকে কপি করে দেওয়া। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এখনো উত্তম কুমারের কোনো ছবি টিভিতে দিলে সেটা মানুষ বসে দেখে।

ভাবতে খুব অবাক লাগলেও ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি পরপর সাতটি সুপার ফ্লপ ছবি দিয়েছেন। পরপর ৭টি ফ্লপ দিয়ে তিনি তার অভিনয়ের ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন এবং তাকে লোকে ডাকতো ফ্লপ মাস্টার বলে। কিন্তু সেই ফ্লপ মাস্টার থেকে লড়াই করে একের পর এক সুপারহিট ছবি দিয়ে নায়ক থেকে মহানায়কে পরিণত হয়ে উঠেছেন।

১৯৪৮ সালে তিনি তার অভিনয়ের ক্যারিয়ার শুরু করেন।’পথে হল দেরি’, ‘হারানো সুর’, ‘সপ্তপদী’, ‘চাওয়া পাওয়া’, ‘বিপাশা’, ‘সাগরিকা’, ‘ভান্তি বিলাস’, ‘মৌচাক’ -সহ আরও অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন।

৫ ফুট ১১ ইঞ্চি লম্বা মানুষটার প্রেমে সেই সময় হাজারোও নারী প্রেমে পড়েছিলেন। তিনি অনেক ছবি করেছেন। যা বলে শেষ করা যাবেনা । তবে ১৯৬৮ সালের অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি ও চিড়িয়াখানা ও ১৯৬১ সালে দোসর সিনেমায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিলেন।