২৮ বলে ৭৮ রান – রঞ্জিতে আগুন ঝরালেন রিয়ান! শুধু দাঁড়িয়ে দেখলেন যুবরাজ সিং!

হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে শতরান হাতছাড়া হয়েছে সূর্যকুমার যাদবের। সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফের শতরানের দোরগোড়া থেক ফিরে গেলেন তিনি। অন্য দিকে গোয়ার বিরুদ্ধে দ্বিশতরান করলেন মণীশ পান্ডে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বাকি দলের অবস্থা।

রিয়ান পরাগঃ শতরান হাতছাড়া করলেন রিয়ান পরাগ। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে রান পাননি অসমের এই ব্যাটার। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে টি-টোয়েন্টি ইনিংস খেললন পরাগ। মাত্র ২৮ বলে ৭৮ রান করেন রিয়ান। তাঁর ইনিংসি সাজানো ছিল ৮টি বাউন্ডারি এবং ৬টি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে।

  • সূর্যকুমার যাদবঃ হায়দরবাদের বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফিতে অল্পের জন্য শতরান হাতছাড়া করেছিলেন মুম্বইয়ের ব্যাটার সূর্যকুমার যাদব। এবার ফের শতরানের দোরগোড়া থেকে ফিরে এলেন তিনি। সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ১০৭ বলে ৯৫ রান করলেন সূর্য। ১৪টি বাউন্ডারি এবং একটি ওভার বাউন্ডারি রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।

অভিমন্যু ঈশ্বরণ: ভারতীয় দলের সঙ্গে বাংলাদেশে থাকায় বাংলার হয়ে রঞ্জি ট্রফির প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি অভিমন্যু ঈশ্বরন। নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে দলে ফিরতেই চেনা ফর্মে। ২১৭ বলে ১৭০ রান করলেন তিনি। তাঁর এই ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৬ টি বাউন্ডারির সৌজন্যে। শুধু তাই নয়, অভিমন্যুর সঙ্গে শতরান করেন সুদীপ কুমার ঘরামি। তিনি করেছেন ১৭৮ বলে ১০৪ রান।

এমবি মুরা সিং: পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত বল করলেন ত্রিপুরার এমবি মুরাসিং। ২৪.২ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪৮ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নিলেন মুরাসিং। তাঁর দাপটেই মাত্র ২০৩ রানে গুটিয়ে গেল পঞ্জাব।

মণীশ পান্ডেঃ গোয়ার বিরুদ্ধে দ্বিশতরান করলেন মণীশ পান্ডে। শুধু তাই নয়, ১৮৬ বলে ২০৮ রানে অপরাজিত থাকলেন তিনি। তাঁর ব্যাটিং দাপটে সাত উইকেট হারিয়ে ৬০৩ রান তোলে কর্ণাটক। ২০৮ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৪টি বাউন্ডারি এবং ১১টি ওভার বাউন্ডারির সৌজন্যে।

সঞ্জু স্যামসনঃ ছত্ত্রিশ গড়ের বিরুদ্ধে অল্পের জন্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করলে সঞ্জু স্যামসন। তবে রোহন প্রেম এবং সচিন বেবি দুই জনেই ৭৭ রান করেছেন। ব্যাটিং দাপটে কেরল ৩১১ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে ছত্ত্রিশগড়।

ওয়াশিংটন সুন্দরঃ বল হাতে ব্যর্থ হয়েছে। এবার ব্যাট হাতেও ব্যর্থ ওয়াশিংটন সুন্দর। দিল্লির বিরুদ্ধে ১১ ওভার বল করে কোনও উইকেট তুলতে পারেননি সুন্দর। এমনকি ব্যাট করতে নেমা মাত্র ২ রান করলেন তিনি। তবে বাবা ইন্দ্রজিৎ ৭১ এবং বাবা অপরাজিত ৫৭ রান করেন। দ্বিতীয় দিনের শেষে তামিলনাড়ুর রান পাঁচ উইকেট হারিয়ে ২১৪।

প্রিয়ঙ্ক পঞ্চালঃ চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ফর্মে প্রিয়ঙ্ক পঞ্চাল। দ্বিতীয় দিনের শেষে ৮৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। শতরানের থেকে মাত্র ১৩ রান দূরে রয়েছেন গুজরাটের এই ব্যাটার।