কেন বোরখা পরে মুর্শিদাবাদে মেয়েদের হোস্টেলে ঢোকেন যুবক?ফাঁস হলো চাঞ্চল্যকর কারণ

ফের একবার প্রশ্নের মুখে বহরমপুরে মহিলাদের হস্টেলের নিরাপত্তা। এবার ভোর রাতে বোরখা পরে এক তরুণীর ঘরে ঢুকে পড়লেন এক যুবক। তবে জুতো দেখে সন্দেহ হওয়ায় ফের তাঁকে ধরে ফেলে হস্টেল কর্তৃপক্ষ। উত্তম মধ্যম দিয়ে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।

মাস দুয়েক আগেই বহরমপুরের গোরাবাজারে মেয়েদের হস্টেলের সামনে প্রেমিকের হাতে নৃশংসভাবে খুন হন কলেজ পড়ুয়া তরুণী। তার পর থেকে এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা বেড়েছে ওই এলাকায় মেয়েদের হস্টেলগুলিতে। কিন্তু বজ্র আঁটুনি যে ফস্কা গেরো তা টের পাওয়া গেল শুক্রবার ভোরে। এদিন ভোরে গোরাবাজারের ভাগীরথি হস্টেলে বোরখা পরে এক যুবতী আসে। হস্টেলের আবাসিক এক তরুণীর ঘরে যাবে বলে জানায় সে।

মহিলাকে দেখে বাধা দেননি হস্টেলের মালিক। কিন্তু তিনি জুতো খুলে ঘরে ঢুকতেই চোখ কপালে ওঠে তাঁর। দেখেন, বোরখা পরা মহিলার পায়ে ছিল পুরুষদের জুতো। সঙ্গে সঙ্গে আবাসিক তরুণীর ঘরে ঢোকেন তিনি।দেখেন বোরখা পরে যিনি এসেছিলেন তিনি একজন পুরুষ। এর পরই তাঁকে ধরে বেধড়ক পেটান স্থানীয়রা। তার পর তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।ধৃত ব্যক্তির নাম রঞ্জন জানা বলে জানা গিয়েছে। নিজেকে পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে সে।

তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বৃহস্পতিবার রাতের কলকাতা – বহরমপুরের ট্রেনের টিকিট। হস্টেলে অপর্ণা দাস নামে এক তরুণীর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল সে। স্থানীয়দের জেরার মুখে রঞ্জন জানিয়েছে, সপ্তাহখানেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সঙ্গে অপর্ণার পরিচয় হয়। দুজনের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গতকাল তাঁর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে প্রেমিকা।

দেখা করতে রাতেই ট্রেনে করে বহরমপুর চলে আসেন তিনি। ট্রেনে ওঠার আগে কিনে নেন বোরখা। সেই বোরখা পরে ঢুকে পড়েন মহিলাদের হস্টেলে। কিন্তুটা জুতোটা বদলানোর কথা মনে ছিল না তাঁর।