“মাথা খারাপ করে দিল”১৬ বছরের ভারতীয় নেটবোলারের স্পিনে জব্দ,প্রশংসা মার্কাস স্টইনিসের:ভিডিও

সমীর খান মাত্র পাঁচ ফুট লম্বা এই ছেলেটি কয়েক মাস আগেই ১৬ বছরে পা দিয়েছে। কাপুরথালার একাদশ শ্রেণির ছাত্রটি বৃহস্পতিবার নেট সেশনের সময় অস্ট্রেলিয়ার ছয় ফুট চার ইঞ্চি লম্বা মার্কাস স্টইনিসকে বিরক্ত করেছিলেন। প্রায় ২০ মিনিটের জন্য স্টইনিসকে বাঁহাতি স্পিন বল করেছিলেন সমীর এবং একটি স্কুলের বাচ্চা আন্তর্জাতিক ব্যাটসম্যানকে নেটে বেশ কষ্ট দিয়েছে যা দেখে সেই সময়ে নেটে উপস্থিত সকলেই বেশ মজা নিয়েছিলেন। বল খেলার সময়ে স্টইনিস এই তরুণ স্পিন বোলারকে বেশ কয়েকবার ‘ভাল বোলিং’ বলে উৎসাহি করেছিলেন।

নেট সেশনের পর সমীর বলেন, ‘আজ আমিও স্টইনিসকে এলবিডব্লিউ করেছিলাম। কোচ আমাকে কোনও নির্দিষ্ট লাইনে বল করতে বলেননি তবে আমি স্বাভাবিকভাবেই বল করেছি। তার পিছনের পায়ে খেলতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছিল। আমি সেখানেই বোলিং করেছি এবং ওভার বোলিং করেছি। সে একটু আটকে যাচ্ছিল।’ সমীরকে পঞ্জাব অনূর্ধ্ব-১৯ খেলোয়াড়ের সম্ভাব্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং গত দুই দিন ধরে স্থানীয় হোটেলে রাখা হয়েছে যাতে তিনি অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের বোলিং করতে পারেন।

```

কাপুরথালার এক বিছানার চাদর বিক্রেতার ছেলে সমীর বলেন, ‘গতকাল আমি স্টিভ স্মিথের কাছে অনেকক্ষণ বোলিং করেছি। এটা একটা চমৎকার অভিজ্ঞতা ছিল। ওরা বলেছিল আমি ভালো বোলিং করেছি। আমরা চার ভাই এবং এক বোন এবং আমার বাবা-মা আমার খেলাধুলা করার সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ সমর্থন করে। আমি পঞ্জাব টি-টোয়েন্টি লিগে খেলেছি এবং সাতটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি যাতে আমি পাঁচ উইকেট নিয়েছিলাম।’

অ্যাস্টন এগর (পিতৃত্বকালীন ছুটি) দলে নেই, অস্ট্রেলিয়ার ফিঙ্গার স্পিনারদের বিরুদ্ধে ভালো অনুশীলনের প্রয়োজন ছিল। কারণ কুলদীপ যাদব প্রথম দুটি ম্যাচে অনুপস্থিত থাকায় রবীন্দ্র জাদেজার বিরুদ্ধে খেলার গেম প্ল্যান তৈরি করতে সমীরকে নেটে আনা হয়েছিল। সমীর এদিন প্রায় ২০ মিনিটের জন্য স্টইনিসের বিরুদ্ধে বাঁহাতি স্পিন বোলিং করেছিলেন এবং একটি স্কুলের বাচ্চাকে আন্তর্জাতিক ব্যাটসম্যানকে কষ্ট দিতে দেখে খুব ভালো লাগছিল।

```

স্টইনিস বেশ কয়েকবার তরুণ ফাস্ট বোলারকে বলেছিলেন, ‘ভাল বোলিং’ করছেন।সমীররা চার ভাই এবং এক বোন। সমীর খানের বাবা-মা তার খেলাধুলা করার সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেন। সমীর বর্তমানে পঞ্জাব টি-টোয়েন্টি লিগে খেলেছেন এবং সাতটি ম্যাচ খেলে পাঁচটি উইকেট শিকার করেছিলেন।

সব মিলিয়ে ভারতের মাটিতে যে কোনো রকম ট্যালেন্টের অভাব নেই এই বিষয়টা আরো একবার পরিষ্কার হয়ে গেল যে ভারতের ভবিষ্যৎ কতটা সুরক্ষিত এবং একের পর এক দুর্দান্ত ক্রিকেটার ভারতীয় দলে আসতেই থাকবে।