নিজে বল করে বাউন্ডারি পর্যন্ত নিজেই বল ধরতে দৌড় সিরাজের,হেঁসে গড়ালেন কোহলি,স্যালুট দর্শকের!

এই নিয়ে কোন সন্দেহ নেই যে ভারতীয় দলের এই মুহূর্তে অন্যতম সেরা বোলার মোহাম্মদ সিরাজ, বুমরাহ এবং মোঃ সিরাজের যে বোলিং পার্টনারশিপ সেটা এশিয়া কাপের সব দলকে সমস্যার মধ্যে ফেলেছে, সিরাজ এতটাই ভালো বোলিং করছেন যে শামিকে বাদ দিতে বাধ্য হয়েছে টিম ইন্ডিয়া, এরকম পরিস্থিতিতে এশিয়া কাপের ফাইনালে আরো একবার জ্বলে উঠলেন মোহাম্মদ সিরাজ, আর তার সাথে এক মজার ঘটনাও ঘটালেন।

একই ওভারে লাগাতার তিনটি উইকেট নিয়ে ফেলেন মহম্মদ সিরাজ, যদিও প্রথম এবং দ্বিতীয় উইকেটের মাঝে একটি ডট বল ছিল। তবে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় উইকেটটি পর পর এসেছিল তাই সিরাজের সামনে ছিল একটা হ্যাটট্রিক করার চান্স, আর সেই হ্যাট্রিকের জন্য অত্যন্ত উত্তেজিত ছিলেন মোহাম্মদ সিরাজ, শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যান ধনঞ্জয়ের ডি সিলভা কে তিনি একটি ইন-সুইং করেন এবং পায়ের দিকে আসা সেই বল, হালকা করে কব্জি দিয়ে ঘুরিয়ে দেন ধনঞ্জয়। বল চলে যাই লং অনের দিকে যেখানে ভারতের কোন ফিল্ডার ছিল না।

```

তবে ফিল্ডার না থাকলে কি হবে, হ্যাটট্রিক বলে এতটাই উত্তেজিত ছিলেন মোহাম্মদ সিরাজ যে বল তার পাশ দিয়ে যেতেই তিনি বলের পিছনে দৌড়ানো শুরু করে দেন, যা দেখে ভীষণ হাস্যকর লাগছিল তার কারণ ক্রিকেট ইতিহাসে কখনোই কোন বোলার বল করে বাউন্ডারি লাইন পর্যন্ত ফিল্ডিং করতে যান না, বোলার বল করে বাউন্ডারি লাইন পর্যন্ত বল আটকাতে যেতেই পারেন, যেতে কোনো সমস্যা নেই কিন্তু এটা দেখা যায় না সচরাচর। আর সিরাজের এই কাণ্ডেই হেসে গড়িয়ে গেলেন বিরাট কোহলি এবং শুভমন গিল। দেখুন সেই ভিডিও :

https://twitter.com/IconicRcbb/status/1703362382133895412?t=4R4d6znMBYDstPzIU5Qvlw&s=19

সব মিলিয়ে মোঃ সিরাজ এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক না পেলেও তিনি যে অনবদ্য বোলিং করেছেন তা রীতিমতো লম্বা সময় পর্যন্ত মনে থেকে যাবে ক্রিকেট ভক্তদের এবং শ্রীলংকা দলের। এক্ষেত্রে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য যে বিগত কয়েক ম্যাচ ধরেই মোহাম্মদ সিরাজ দুর্দান্ত বোলিং করছেন, পাকিস্তান হোক অথবা শ্রীলংকার সাথে আগের ম্যাচটি, সব ক্ষেত্রেই ভালো বোলিং করছিলেন সিরাজ। কোথাও না কোথাও একটা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আসতে চলেছে এটা দেখে বোঝা যাচ্ছিল।

```

সব মিলিয়ে, আজকের ম্যাচে ভারতীয় দলের বেশ বোলিং লাইনের সামনে যে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেনি শ্রীলংকার ব্যাটসম্যানরা সেই বিষয়টা পরিষ্কার তবে সবথেকে হাস্যকর ব্যাপার হল এই পিচটা ভীষণ ড্রাই একটা পিক ছিল যেখানে স্পিনাররা অনেক বেশি সাহায্য পেতেন এবং এটিকে স্পিনারদের সর্ব রাজ্য বলা যেতেই পারতো। সেরকম একটা পিচের উপর এতটা দুর্দান্ত বোলিং করলো টিম ইন্ডিয়া।

এই বিষয়টা স্পষ্ট করে দেয় এই যে ভারতীয় বোলিং লাইনআপ কতটা শক্তিশালী। অথচ ১৫০ কিমির গতির বোলার থাকা পাকিস্তান এশিয়া কাপের ফাইনালেও উঠতে পারল না।