একের পর এক বড় টুর্নামেন্টে পাওয়া যায় যার ফলে ভারতীয় সিলেক্টরের প্রধান পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে চেতন শর্মাকে। বারংবার প্রশ্ন উঠেছে টিম সিলেকশন নিয়ে তার কারণ অসংখ্য ট্যালেন্টেড ক্রিকেটার থাকা সত্ত্বেও এমন ক্রিকেটারদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে বড় টুর্নামেন্ট গুলিতে যে ভারতীয় দলকে পরাজিত হতে হয়েছে ভারতীয় দলের প্রধান সিলেক্টর কে হবে সেই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই প্রশ্ন উঠেছিল। চেতন শর্মাকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরে ভারতীয় দলের প্রধান সিলেক্টর কে হবে সেই নিয়ে একটা জল্পনা চলছিল। আর এবার সৌরভ গাঙ্গুলীর তৈরি করা সেই অস্ত্রকে ভারতীয় দলের প্রধান সিলেক্টর হিসেবে বেছে নেওয়া হলো।
প্রত্যাশিত ভাবেই ভারতীয় বোর্ড দায়িত্ব দিল অজিত আগরকরকে। কয়েক দিন আগেই দিল্লি ক্যাপিটালসের কোচিং স্টাফের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন অজিত আগরকর। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিনিয়র দল নির্বাচন কমিটির প্রধানের পদের জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। চেতন শর্মার বিদায়ের পর অন্তর্বর্তী দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন শিবসুন্দর দাস। চেতনের পদে এলেন অজিত আগরকর।পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন অজিত আগরকর। ফলে ভার্চয়ুালি তাঁর ইন্টারভিউ নেয় ভারতীয় বোর্ডের ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটি।

প্রাথমিক ভাবে অবশ্য বেতন নিয়ে অস্বস্তি ছিল আগরকরের। তাঁর জন্য ভারতীয় বোর্ড বেতন বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত নেয়। এ দিন বোর্ডের তরফে এক ই-মেলে অজিত আগরকরকে সিনিয়র সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়।ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। টেস্টের পাশাপাশি ওডিআই স্কোয়াড আগেই ঘোষণা হয়েছিল। সফরে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজও রয়েছে। অজিত আগরকরের চেয়ারম্যানশিপে নতুন কমিটি হয়তো টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড ঘোষণা করবে।
বোর্ডের মেইলে জানানো হয়েছে, ‘ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটির তরফেই আগরকরকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। তাঁকে চেয়ারম্যান বেছে নেওয়ার মূল কারণ টেস্ট ম্যাচের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা।’ দেশের হয়ে ২৬টি টেস্টের পাশাপাশি ১৯১টি ওডিআই এবং ৪টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। এ ছাড়া আইপিএলেও খেলেছেন তিনি। ভারতের হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ (১৯৯৯ ও ২০০৩ সালে ওডিআই), ২০০৭ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।
লর্ডসে টেস্ট সেঞ্চুরি, ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের টেস্ট জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন আগরকর। ওয়ান ডে ক্রিকেটে ভারতীয়দের মধ্যে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড এখনও আগরকরের দখলে। ২০০০ সালে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ২১ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। আগের নির্বাচক কমিটির প্রধানের বেতন ছিল ১ কোটি। কমিটির বাকিরা পান ৯০ লক্ষ। তবে এই অঙ্ক বেড়েছে বলেই সূত্রের খবর।