ব্রেকিং: মাঠে নামার আগেই বাবর আজমকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন শুভমান গিল !

আজকেই ঢাকে কাঠি ওডিআই বিশ্বকাপের (ICC World Cup 2023)। ১২ বছর পর আবার ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ। সে বার মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। রোহিত শর্মার টিম কি আবার সাফল্যের মঞ্চে উঠতে পারবে? দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ, স্বাভাবিকভেবেই বাড়তি চাপ রয়েছে ‘মেন ইন ব্লু’-এর ঘাড়ে। তবে ভারতীয় দলের এমন একজন প্লেয়ার রয়েছে যদি সে পারফর্ম করে তাহলে আর পুরো দলের পারফরম্যান্স করার খুব একটা দরকারই পড়বে না, এতটাই দুর্দান্ত সে খেলে যেদিন সে ফর্মে থাকে, আর তিনি হলেন শুভমান গিল। অনেক কিছু নির্ভর করছে তার ওপরে।

এরই মাঝে ওডিআই ব়্যাঙ্কিং পেশ করল আইসিসি। সেরা তারকাদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান দখল করে নিয়েছেন ভারতের শুভমন গিল। প্রথম স্থানে রয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। গিল ছাড়া আর কে কে রয়েছেন আইসিসির সেরার তালিকায়?ব্যাটারদের মধ্যে এক নম্বরে রয়েছেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৮৫৭। অন্যদিকে ৮৩৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থান দখল করে বসে রয়েছেন গিল। বাদ নেই কোহলি-রোহিতরাও। সেরা ব্যাটারদের তালিকায় নবম স্থানে রয়েছেন কিং কোহলি। তাঁর ঝুলিতে ৬৯৬ পয়েন্ট। কোহলির থেকে এক পয়েন্ট কম নিয়ে (৬৯৫)দশম স্থান নিশ্চিত করে ফেলেছেন ‘হিট ম্যান’। এ তো গেল ব্যাটিং,বোলিং-এও প্রথম দিকেই জায়গা করে নিয়েছে ভারত।

```

এক নম্বরে রয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৬৬৯ পয়েন্ট। অলরাউন্ডেরর তালিকায় ভারতকে জায়গা করে দিয়েছে হার্দিক পান্ডিয়া। যখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে সব দল, তখনই আইসিসির এই তালিকা যেন কিছুটা হলেও তাতিয়ে দিচ্ছে প্লেয়ারদের। পিছিয়ে পড়াদের এগিয়ে আসতে হবে, আইসিসির সেরার তালিকায় জায়গা করে নিতে খেলতে হবে আরও ভাল, এটাই এখন তাঁদের লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার আমেদাবাদে ওডিআই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে চলেছে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।

উপমহাদেশের মাটিতে বিদেশি টিমগুলো, বিশেষ করে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা কতটা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারছে তার উপর নির্ভর করবে সাফল্য। যে সব বিদেশি ক্রিকেটাররা দীর্ঘদিন আইপিএলে খেলছেন, তাঁরা টিমের চালিকাশক্তি হয়ে উঠবেন। এই বিশ্বকাপে ১৪-৪০ ওভার যে সব টিম ভাল পারফর্ম করতে পারবে, তাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

```

ক্যাপ্টেন্স মিটে বাকিদের মতো ছিলেন বাবর আজমও। নানা প্রশ্নের মাঝে ভারতে খেলার চাপ এবং অনভিজ্ঞতা নিয়েও জানতে চাওয়া হয়। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলারই হোক বা অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স। শুধু এঁরাই নন, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী সব দেশেরই আইপিএলের সৌজন্যে ভারতের পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে অনেকটাই জানা। পাকিস্তানের কাছে কি বাড়তি চাপ? বাবর আজম বলছেন, ‘আমরা কোনও চাপ অনুভব করছি না। এখানকার পরিস্থিতি পাকিস্তান এবং উপমহাদেশের বাকি দেশগুলোর মতোই। প্রায় এক সপ্তাহ এখানে অনুশীলন করছি। ওয়ার্ম আপ ম্যাচও খেলেছি। কোনও পার্থক্য মনে হয়নি।’

বাবর অবশ্য মনে করছেন ভারতের মাঠে বাউন্ডারি ছোট! তাঁর কথায়, ‘এখানে বাউন্ডারি ছোট। বোলারদের ভুলের কোনও জায়গা নেই। বোলাররা একটু ভুল করলেই ব্যাটাররা সুযোগ নিতে প্রস্তুত। আমার মনে হয়, হাইস্কোরিং ম্যাচ হবে। চেষ্টা করব আমাদের সেরা দিকগুলো তুলে ধরার।’ পাকিস্তান টিমের প্রধান শক্তি কী? এই প্রসঙ্গে বাবর বলেন, ‘আমার মতে বোলিংই প্রধান শক্তি। গত তিন বছর একই দল নিয়ে খেলছি। বোলিং শক্তির ওপরই বাড়তি ভরসা রয়েছে।’