একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ছুটে গিয়েও মিলেছে ‘ঘোড়ার ডিম’, তবু বিশ্বকাপের আগে সুর নরম করতে রাজি নন রোহিত

গুয়াহাটি থেকে তিরুবনন্তপুরম, দেশের কার্যত একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছুটে গিয়েও কোনও লাভ হয়নি টিম ইন্ডিয়ার। বিশ্বকাপের আগে ভারতের ২টি প্রস্তুতি ম্যাচই ভেস্তে গিয়েছে বৃষ্টিতে। বিষয়টা হতাশাজনক সন্দেহ নেই। তবে তাতে দলের বিশেষ ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করছেন না রোহিত শর্মা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে ক্যাপ্টেনস ডে-র আলোচনায় ভারত অধিনায়ক স্পষ্ট জানালেন, অনুশীলন ম্যাচ না খেললেও বিশ্বকাপের পারফর্ম্যান্সে তার প্রভাব পড়বে না। আসলে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের আগে কোনওভাবেই সুর নরম করতে রাজি নন হিটম্যান।

রোহিতকে এদিন অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী শোনায়। তিনি বলেন, ‘অনুশীলন ম্যাচ দু’টি ভেস্তে গেলেও প্রস্তুতিতে প্রভাব পড়বে না। বরং এই গরমে কয়েকটা দিন ছুটি পেয়ে ভালোই হয়েছে। কেননা আমরা বিশ্বকাপের আগে পর্যাপ্ত ম্যাচ প্র্যাক্টিস পেয়েছি। এশিয়া কাপে ৪টি এবং তার পরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৩টি ম্যাচ খেলেছি আমরা। এই ম্যাচগুলিতেই আমরা নিজেদের প্রস্তুতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেয়েছি। তবে এটা ঠিক যে, ২টি ম্যাচ খেলতে পারলে ভালো লাগত। দেশের একদিক থেকে অন্য দিকে ট্রাভেল করেও খেলতে না পারা হতাশার।’

```

গত তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছে তারাই, যারা টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। এবার আয়োজক ভারত, তাই তাঁদের উপর বাড়তি চাপ থাকবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে রোহিত বলেন, ‘সত্যি বলতে এই নিয়ে ভাবছি না। এটা আগের তিনটি বিশ্বকাপে হয়েছে। এবারেরটা নতুন টুর্নামেন্ট। এমন লম্বা টুর্নামেন্টে খুব বেশি দূরের কথা ভাবা উচিত নয়। ছোট ছোট টার্গেট নিয়ে এগোতে হবে আমাদের।’

বিশ্বকাপের আগে একই মঞ্চে কার্যত পাশাপাশি বসে রয়েছেন রোহিত শর্মা ও বাবর আজম, অথচ ভারত-পাক লড়াইয়ের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হবে না, এমনটা আবার হয় নাকি! সঙ্গত কারণেই ১৪ অক্টোবরের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয় অনুষ্ঠানে। বোঝা গেল যে, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকে ভারত-পাক ম্যাচের কথা ভেবে নিজেদের চাপে ফেলতে রাজি নন রোহিত।

```

ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘পাকিস্তান ম্যাচের আগে আমাদের আরও ২টি ম্যাচ খেলতে হবে। অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ দুটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আসলে বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে সব ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সবাই জিততে এসেছে। আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে প্রতিটা ম্যাচ অনুযায়ী। চেন্নাইয়ে গিয়ে সেখানকার পরিবেশ-পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। সেই অনুযায়ী যথাযথ কম্বিনেশন খুঁজে বার করতে হবে। এই ফর্ম্যাটে একটি টুর্নামেন্টে ১১টি ম্যাচ খেলা এবং সব ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেওয়া চ্যালেঞ্জের।’