দুরন্ত পারফরমেন্সের জন্য অনবদ্য পারফরম্যান্স করছে ভারতীয় দল বিশেষ করে ভারত ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা

আইসিসি বিশ্বকাপ ২০২৩-এ টানা তিন ম্যাচ হারার পর প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে পাকিস্তান দল। দলের অধিনায়ক বাবর আজমের কাকা এবং পাকিস্তান দলের প্রাক্তন উইকেট-রক্ষক ব্যাটসম্যান কামরান আকমল বলেছেন যে পাকিস্তান দল পরের কয়েকটি ম্যাচ হারলেই তাদের দেশের ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে। এর পিছনের কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে হারের পর সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছিল পাকিস্তান।

এআরওয়াই নিউজ-এ কামরান আকমল বলেছেন, ‘পাকিস্তানের ক্রিকেটে যদি উন্নতি করতে হয় তবে দলটির পরের ম্যাচগুলোর কোনও জিতলে চলবে না এবং দেশের ক্রিকেটকে ভালো করতে হলে শীর্ষ চারে পৌঁছানো উচিত নয় পাকিস্তানের।’ এ বিষয়ে অ্যাঙ্কর কামরান আকমলের উপরে রেগে যান। তিনি বলেন, ‘আপনি কি পাকিস্তানকে জিততে দেখতে চান না?’ এর জবাবে কামরান বলেছিলেন যে, ‘আমি তাদের জিততে দেখতে চাই, তবে পাকিস্তান ক্রিকেটের উন্নতির জন্য, দল হারলে আরও ভালো হবে এবং আরও পরিবর্তন করতে হবে, কারণ তারা জিতলে দল একই থাকবে। আর পরিস্থিতি বদলাবে না।’

```

এমন অবস্থায় স্টুডিওতে গম্ভীর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অ্যাঙ্কারের সঙ্গে প্রায় লেগেই গিয়েছিল কামরান আকমলের। সেই সময়ে পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা বোঝাতে চান যে তিনি কেন এমন বলছেন। আসলে কামরান আকমল মনে করেন যে যদি এই চারটি ম্য়াচ পাকিস্তান হারে তাহলে দলের পরিবর্তন হবে। আর দলে পরিবর্তন হলে তবেই দলের লাভ হবে। নয়তো ক্ষতির মুখে পড়বে পাকিস্তান দল। বাবর আজমের যে ইগো হয়েগিয়েছে সে কথাও জানাম কামরান আকমল। তিনি বলেন, ‘যদি পাকিস্তান হারে তাহলে তাদের ইগো ভাঙবে।’

শুধু কামরান আকমল নয়, পাকিস্তানের অনেক ক্রিকেটারই যুক্তি দিয়েছেন যে বাবর আজমকে দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে তাঁকে ব্যাটসম্যান হিসেবে নির্ভয়ে খেলতে দেওয়া উচিত। এর বাইরে কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটারও বলছেন, সাপোর্ট স্টাফের পরিবর্তন করা উচিত। একই সঙ্গে প্রাক্তন পেসার শোয়েব আখতার বলেছেন, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডে অনেক পরিবর্তন দরকার। তিনি নিজেই চেয়ারম্যান হতে প্রস্তুত।

```

২০২৩ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান দল ভালোভাবেই শুরু করেছে। দলটি প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে বাবর আজম অ্যান্ড কোম্পানি শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করেছিল।

যাইহোক, পরের ম্যাচে, ভারতের বিরুদ্ধে শোচনীয় পরাজয়ের সম্মুখীন হয় পাকিস্তান এবং অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও হারের ধারা অব্যাহত থাকে তাদের। এরপর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দলটির আরেকটি পরাজয়ের সম্মুখীন হয় এর ফলে দলের সেমিফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে যায়।