ফাইনালে জেতা ম্যাচ হারতেই ধোনিকে নিয়ে চরম মন্তব্য করে দিলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া!

গুজরাট টাইটান্সের (জিটি) তরুণ অলরাউন্ডার অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া পর পর দু’বার আইপিএল জেতার মুখে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হারতে হল চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। তবে সিএসকে-র বিরুদ্ধে আইপিএল ফাইনালে হারের পরেও দলের প্লেয়ারদের দিকে আঙুল তুললেন না হার্দিক। বরং দলের প্লেয়ারদের প্রশংসা করে, ভাগ্যকেই দায়ী করলেন তিনি।

সিএসকে কাছে শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে হেরে যায় টাইটান্স। বৃষ্টি-বিঘ্নিত এই ফাইনাল ম্যাচে সিএসকে ১৫ ওভারে ১৭১ রানের (ডিএলএস মেথডে) লক্ষ্য পায়। ম্যাচের শেষ ২ বলে জিততে ১০ রান প্রয়োজন ছিল চেন্নাই সুপার কিংসের। মোহিত শর্মাকে একটি চার এবং ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জয় এনে দেন রবীন্দ্র জাদেজা।

```

টানটান উত্তেজনার ম্যাচে হারের পর টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া বলেছেন, ‘আমাদের দল দুর্দান্ত খেলেছে। তবে সিএসকে এ দিন বেশি ভালো ক্রিকেট খেলেছে। তাই ওরাই জয়ের যোগ্য।’ সেই সঙ্গে দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে হার্দিক বলেছেন, ‘দল হিসেবে আমরা সব জায়গায় ভালো খেলেছি। আমরা এখানে হৃদয় দিয়ে খেলেছি এবং আমরা শেষ পর্যন্ত যে ভাবে লড়াই করেছি তাতে গর্বিত। আমাদের লক্ষ্য একটাই- আমরা একসঙ্গে জিতব এবং একসঙ্গে হারব।’

তরুণ এই অধিনায়ক বলেন, ‘আমি হারের পর অজুহাত দিতে যাচ্ছি না। সিএসকে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে। আমরা ভালো ব্যাটিং করেছি। আমি এখানে বিশেষ করে সাই-এর (সুদর্শন) নাম নিতে চাই। এই স্তরে এত উজ্জ্বল ভাবে খেলা সহজ নয়। আমরা খেলোয়াড়দের পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছি। আমরা সকলকেই সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। দলের সকলের থেকে সেরাটা বার করে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু প্রতিটা ক্রিকেটারের ভালো খেলার কৃতিত্ব তাদের নিজেদের।’

```

পাণ্ডিয়া তাঁর দলের বোলারদের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘ওরা যে ভাবে নিজেদের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। মোহিত হোক, রশিদ হোক বা শামি, সবাই এগিয়ে লড়াই করেছে, এবং ভালো পারফর্ম করেছে।’এর পরে তিনি সিএসকে অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিতে তাঁর মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন, ‘আমি ওর জন্য খুব খুশি। ভাগ্যে এটাই লেখা ছিল। যদি হারতে হতো, তবে ওর বিরুদ্ধেই হারা ভালো। ভালো কিছু ভালো মানুষের সঙ্গে ঘটে এবং ও আমার পরিচিত সেরা মানুষদের একজন। আমি জানি যে, ঈশ্বর দয়ালু এবং তিনি আমার প্রতিও দয়ালু। কিন্তু আজ ছিল ওর (ধোনি ও সিএসকে-র জয়) রাত।’