“বিরাট কোহলি..”আফগানিস্তানকে হারাতেই বিরাট কোহলি ও ভারতকে তীব্র হুমকি পাক বোলার শাদাব খানের !

‘বিরাট কোহলি ওদের দেখে নেবে…’। দিন কয়েক আগে ভারতের এশিয়া কাপের (Asia Cup 2023) স্কোয়াড ঘোষণার দিন নির্বাচন কমিটির প্রধান অজিত আগরকর এই কথা গুলো বলেছিলেন। প্রেস কনফারেন্সের এক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে হাসতে হাসতে অজিত বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানের পেসারদের সামলে নেবেন বিরাট কোহলি।’ অজিত আগরকরের এই কথা মনে ধরেনি পাক তারকা অলরাউন্ডার শাদাব খানের (Shadab Khan)। এশিয়া কাপের আগে আফগানিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। এরপরই অজিতের ওই বক্তব্য নিয়ে শাদাবকে প্রশ্ন করা হলে পাক তারকা হুংকার দেন ।

হুংকার দিয়ে তিনি বলেন, ‘বললে কিচ্ছু হয় না। ম্যাচের দিন দেখা যাবে।’ এশিয়া কাপে ২ সেপ্টেম্বর মুখোমুখি হবে ভারত এবং পাকিস্তান। ২০২২ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ভারত-পাক ম্যাচে বিরাট কোহলি পাক বোলারদের বিরুদ্ধে দারুণ খেলেছিলেন। তাঁর অপরাজিত ৮২ রানের সুবাদে ভারত সেই ম্যাচও জিতেছিল। সম্প্রতি এশিয়া কাপের জন্য ভারতের স্কোয়াড ঘোষণার দিন অজিত আগরকর বলেছিলেন, ‘পাক পেস আক্রমণ সামলে দেবেন বিরাট কোহলি।’

```

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার, নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকরের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পাক অলরাউন্ডার শাদাব বলেন, ‘আসলে এটা নির্ভর করে টুর্নামেন্টে ম্যাচের দিন কী হয় তার উপর। আমি বা অন্য কেউ কিংবা ভারতের তরফ থেকে যে কেউ যা খুশি বলতেই পারে। কিন্তু তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। কারণ যে যাই বলুক না কেন তা তাতে আমাদের খেলায় প্রভাব পড়বে না।। ম্যাচের দিন অনেক কিছু দেখা যাবে। আর সেটাই আসল।’

পাক পেস আক্রমণ কিন্তু বাবর আজমের দলের অন্যতম অস্ত্র। সদ্য শেষ হওয়া পাকিস্তান বনাম আফগানিস্তানের ওডিআই সিরিজেও পাক পেসারদের দাপট দেখা গিয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন বিরাট। তাতে পাক পেসারদের (নাসিম শাহ, হ্যারিস রউফ, হাসান আলি, মহম্মদ হাসনাইন ও শাহনাওয়াজ দাহানি) বিরুদ্ধে ১১০ বলে ১৫৮ রান করেছেন বিরাট। এর মধ্যে মাত্র এক বার আউট হয়েছেন কোহলি। ফলে এশিয়া কাপের মঞ্চে তিনি যে পাক পেসারদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতেই পারেন, এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

```

তবে আফগানিস্তানের মতো দলের বিরুদ্ধেও পাকিস্তানকে কতটা কষ্ট করে ম্যাচগুলি জিততে হয়েছে সেটা সারা বিশ্বের ক্রিকেট ভক্তরা দেখেছে। সুতরাং ভারতের চোট ছাড়া দলকে হারাতে পাকিস্তানকে যে রীতিমতো চাপের মধ্যে পড়তে হবে এই ব্যাপারটা বলা যায়।