পাকিস্তান নয়, T20 বিশ্বকাপে চির শত্রু এই দলকে জিতবে বললেন আফ্রিদি !

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T-20 World Cup) আসন্ন। গত বছর বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগ থেকে বিদায় নিলেও হালফিলে রোহিত শর্মার(Rohit Sharma) নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল নতুন রূপে উজ্জীবিত। গত বিশ্বকাপের সমস্ত ব্যর্থতা ঝেড়ে পুনরায় ট্রফি ঘরে তুলতে মরিয়া ভারতীয়(India) ব্রিগেড। বর্তমানে ইংল্যান্ডের মাটিতে তাদের পরপর দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পরাস্ত করার মাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রোহিতের ছেলেরা।

ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং; তিন বিভাগেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের দ্বারা বাটলারদের হেলায় হারিয়েছে তারা। গতকালও জয়ের ধারা বজায় রাখে ভারত আর এরপরেই টিম ইন্ডিয়াকে নিয়ে বিরাট ভবিষ্যৎবাণী করে বসলেন পাকিস্তানের(Pakistan) অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার শাহিদ আফ্রিদি(Shahid Afridi)।অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বদলে ভারতকেই ট্রফি জয়ের দাবিদার বলে মনে করছেন আফ্রিদি।

উল্লেখ্য, নিজেদের মধ্যে ম্যাচ হোক কিংবা আইসিসি টুর্নামেন্ট, ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ মানেই গোটা বিশ্বের আগ্রহ থাকে সেই দিকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে রেকর্ড খুব একটা ভালো না থাকলেও গত বিশ্বকাপে বিরাট বাহিনীকে পরাজিত করে পাকিস্তানের ছেলেরা। বর্তমানেও টি-টোয়েন্টিতে বেশ ভালো ফর্মে রয়েছে বাবর আজমরা। তবে তা সত্ত্বেও টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতকে এগিয়ে রাখছেন আফ্রিদি।

গতকাল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিরাট জয়ের পর আফ্রিদি টুইট করেন, “ভারত আজ দারুন ক্রিকেট খেলেছে এবং এই সিরিজ জয়ের জন্য তারাই শ্রেষ্ঠ। অসম্ভব দারুন বোলিং পারফরম্যান্স এবং অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়লাভের অন্যতম দাবিদার ইন্ডিয়া।” ফলে নিজের দেশের থেকেও শত্রুদেশ ভারতকেই এদিন এগিয়ে রাখলেন পাকিস্তানের সেরা অলরাউন্ডার।উল্লেখ্য, বর্তমানে ইংল্যান্ডের মাটিতে তাদের বিরুদ্ধে টেস্ট, টি-২০ এবং ওয়ানডে টুর্নামেন্টে প্রতিযোগিতায় নেমেছে ভারত।

একটিমাত্র টেস্টে হেরে গেলেও পরবর্তীতে রোহিত শর্মা দলে যোগ দেওয়ার পর সম্পূর্ণই বদলে গিয়েছে চিত্র। প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অনায়াসে জয়লাভের পর গতকালের ম্যাচেও দাপট দেখায় ভারত। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৭০ রান তোলে তারা। এক্ষেত্রে প্রথমে রোহিত শর্মার সঙ্গেপরবর্তীতে ব্যাট করতে নেমে পরপর উইকেট হারাতে থাকে ইংল্যান্ড এবং শেষ পর্যন্ত ১২১ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাটলাররা। এক্ষেত্রে চাহাল, হার্দিক এবং বুমরাহ বল হাতে সফল। অবশ্য নিজের চার ওভারে ১৫ রান দিয়ে তিন উইকেট তুলে ম্যাচের সেরা হন ভুবনেশ্বর কুমার।