ড্রাগ নেওয়াই নির্বাসিত হলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটার

শহিদুলের নির্বাসনের মেয়াদ শুরু হয়েছে গত ২৮ মে থেকে, যেদিন তিনি অপরাধ স্বীকার করে নেন। সুতরাং, ২০২৩ সালের ২৮ মার্চ থেকে পুনরায় ক্রিকেট খেলতে পারবেন শহিদুল।২৭ বছরের শহিদুল এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে ১টি মাত্র আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন।

গতবছর নভেম্বরে মীরপুরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে তিনি ৩.৫ ওভার বল করে ৩৩ রানের বিনিময়ে মহম্মদ রিজওয়ানের একমাত্র উইকেট তুলে নেন।নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশের স্কোয়াডে জায়গা পেলেও শহিদুল একটিও ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি। তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের জন্য বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-২০ স্কোয়াডেও জায়গা পেয়েছিলেন।

তবে চোটের জন্য ছিটকে যান দল থেকে।শহিদুলের মূত্রের নমুনায় ক্লোমিফেন পাওয়া গিয়েছে, যা ওয়াডার নিষিদ্ধ ড্রাগের তালিকায় রয়েছে। প্রতিযোগিতা চলাকালীন তো বটেই, এমনকি প্রতিযোগিতার বাইরে থাকার সময়েও অ্যাথলিটদের জন্য নিষিদ্ধ এই ড্রাগ।

শহিদুলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল আইসিসির আউট অফ কম্পিটিশন প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে।যদিও আইসিসির তরফে এটা নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বাংলাদেশি তারকা অসাবধানতাবশত এই ড্রাগ গ্রহণ করেছিলেন।

এই ড্রাগ যা চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ওষুধের মাধ্যমে তাঁর শরীরে প্রবেশ করে। পারফর্ম্যান্সে উন্নতির জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে তিনি এই ড্রাগ সেবন করেননি।