অন্য লেভেলের বিলাসিতা! মহাকাশের রেস্টুরেন্টে সুস্বাদু খাবার খেতে খেতে দেখুন পৃথিবীকে

আমরা ছোটবেলা থেকে আজ পর্যন্ত শুধু মহাকাশ (Space) , গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদির বিষয় পড়েছি, শুনেছি ও মহাকাশের বা সেখানে গ্রহ-“নক্ষত্রের ছবি-ভিডিও ইত্যাদি দেখেছি। কিন্তু বাস্তবে মহাকাশ কেমন হয়? সেখান থেকে পৃথিবীকে দেখতে কেমন লাগে? সেখানে যেহেতু মারধোকর্ষন শক্তি থাকে না সেখানে থাকার অনুভূতি কেমন হয় সেই বিষয় জানার ভাগ্য কোনো সাধারণ মানুষের হয়নি আজ পর্যন্ত। রি অনুভূতিকে উপভোগ করার ভাগ্য শুধু বিজ্ঞানীদের রয়েছে। কিন্তু যদি বলি এবার থেকে শুধু বিজ্ঞানী নয় আপনিও চাইলর মহাকাশে (space) যেতে পারবেন এবং সেখান থেকে দেখতে পারবেন পৃথিবীকে কেমন লাগে।

কী বিশ্বাস হচ্ছে না? তবে জানিয়ে দি যে বিশ্বাস করতে না পারলেও এটাই সত্যি। এখন মহাকাশ আপনার হাতের মুঠোয়। মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে কেমন লাগে তা আর কেবল মহাকাশচারীদের দর্শনীয় নয়। এবার আমজনতাও তা অনায়াসে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।তবে জানিয়ে দি যে শুধু পৃথিবী নয় আপনি এবার মহাকাশ থেকে বিভিন্ন গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি দেখতে পাবেন। আর মহাকাশে বসে পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ নক্ষত্রের দর্শন করার পাশাপাশি আপনি পারবেন সুস্বাদু খাবারের মজা উপভোগ করতে।

কারণ যিনি এখানে উপস্থিত হবেন তিনি একটি স্পেস স্টেশনে উপস্থিত হবেন। মহাকাশে রয়েছে স্পেস স্টেশন। সেখানে দিনের পর দিন থেকে নানা গবেষণার কাজ করেন মহাকাশচারীরা। প্রয়োজনে মহাকাশেও ভেসে পড়েন। মহাকাশ থেকে দেখেন পৃথিবীকে। এখানে ঢুকলে মনে হবে তেমনই স্পেস স্টেশনে প্রবেশ করেছেন কেউ। সেভাবেই সবটা সাজানো হয়েছে। দরজা, জানালা, দেওয়াল, সিলিং, লিফট সবই মহাকাশে থাকার জানান দেবে। এইসব জায়গা গুলি ঘুরতে যাওয়ার জন্য পারফেক্ট জায়গা এবং এখানে ভালো ভালো খাবারও পাওয়া যায়।তবে মূলত এই খাবার গুলি খাবার জন্যই আপনাকে ঢুকতে হবে এই স্থানে।

আর সঙ্গে পাবেন মহাকাশের অভিজ্ঞতা ফ্রি। এখানে খাবার গুলি সুস্বাদু হওয়ার সাথে সাথে ন্যায্যমূল্যে পাওয়াও যাচ্ছে। আসলে এই জায়গাটি হলে একটি রেস্টুরেন্ট (Space resturant) যাকে মহাকাশের থিমে সাজানো হয়েছে। এখানে কাচের ধারের টেবিলে বসে খেতে খেতে দেখা যায় মহাকাশ। দূরে নজরে পড়ে পৃথিবী।

ঠিক যেমন মহাকাশে থেকে পৃথিবীকে দেখতে লাগে ঠিক সেরকম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অরলান্ডোর ওয়াল্ট ডিজনি ওয়ার্ল্ড-এ তৈরি হয়েছে এই রেস্তোরাঁ (Space resturant) । যেখানে বুকিং পাওয়াই এখন দুর্লভ হয়ে উঠেছে। আর তার জন্য তার সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি মূলত দায়ী এর মহাকাশ থিম।