“বিশ্বকাপে ভারত ফেভারিট হলেও জিততে…” ভারতীয় দলকে নিয়ে বড় মন্তব্য করে দিলেন কপিল দেব !

২০২৩ আইসিসি বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়াকে ফেভারিট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যে কারণে প্রাক্তন অধিনায়ক কপিল দেব দাবি করেছেন যে, ট্রফি জিততে ভারতীয় দলকে উচ্চ প্রত্যাশার চাপ সামলাতে হবে। টিম ইন্ডিয়া অতীতে দু’বার বিশ্বকাপ জিতেছে। ১২ বছর পর তৃতীয় বার শিরোপা জয়ের বড় সুযোগ রয়েছে। যেহেতু ঘরের মাঠে খেলবে টিম ইন্ডিয়া। ৫ অক্টোবর থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বিশ্বকাপকে ঘিরে গোটা দেশের প্রত্যাশা এখন আকাশছোঁয়া। সকলেই আশায় রয়েছে, এবার ভারত ওডিআই বিশ্বকাপের হাত ধরে আইসিসি-র ট্রফি জয়ের খরা কাটাবে।বেঙ্গালুরুতে একটি অনুষ্ঠানে কপিল দেব দাবি করেছেন…

‘আমি জানি না, বিশ্বকাপে কী ঘটতে চলেছে। ভারতের দল নির্বাচন তো এখনও হয়নি। শুধু এইটুকু জানি, ঘরের মাঠে ভারত বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার হিসেবেই নামবে। বহু বছর ধরে সেটাই হয়ে আসছে।’১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক যোগ করেছেন, ‘টিম কী ভাবে সব দিক থেকে এই প্রত্যাশার চাপের সঙ্গে মানিয়ে নেয়, সেটা বড় বিষয় হবে। আমরা ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জিতেছি, এবং এবারও আমি নিশ্চিত, যারা দলে সুযোগ পাবে, তাদের ক্ষমতা থাকবে ভারতকে আরও এক বার বিশ্বকাপ এনে দেওয়ার। চার বছরে একটি বিশ্বকাপ হয়, এবং আমি আশা করছি, প্লেয়াররা সবাই পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে।’

```

কপিল তাঁর ক্যারিয়ারে ১৩১টি টেস্ট এবং ২২৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। তবে তাঁকে কখনও চোটের কারণে বিরতি নিতে হয়নি। কিন্তু আধুনিক সময়ে, নতুন ফিটনেস ধারণা প্রচলিত হওয়া সত্ত্বেও, ক্রিকেটারদের ঘনঘন চোট উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। ভারতের তারকা পেসার জাসপ্রীত বুমরাহ প্রায় এক বছর ধরে ২২ গজের বাইরে রয়েছেন। কপিল দেব মনে করেন, ভারতীয় ক্রিকেটারদের কাজের চাপ এবং চোটের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সময়টা আলাদা ছিল। কারণ আমরা খুব কমই ক্রিকেট খেলতাম। এখন প্লেয়াররা বছরের প্রায় ১০ মাসই ক্রিকেট খেলছে। তাই, চোট-আঘাতের পরিমাণ কমাতে হলে শারীরিক দক্ষতা বাড়ানো দরকার। প্রত্যেকের শরীর আলাদা এবং সেটা ঠিক রাখতে আর ফিটনেস বাড়াতে আলাদা আলাদা পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে।’ কপিল সেই প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন, যাঁরা ৮০ এবং ৯০ দশকের পাওয়ার হাউস হিসেবে পরিচিত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে নিজেদের সেরাটা দিয়ে গর্ববোধ করতেন। সেই দলই এবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি। ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম বার উইন্ডিজকে ছাড়াই ২০২৩ ওডিআই বিশ্বকাপ হবে।

```

তবে কপিলের আশা, খুব শীঘ্রই ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের গৌরবময় অধ্যায় আবার ফিরে পাবে।তিনি বলেছেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিশ্বকাপে না খেলতে দেখাটা বেদনাদায়ক। ওদের ছাড়া ওয়ানডে টুর্নামেন্ট কল্পনা করা কঠিন। ওরা দুর্দান্ত সব খেলোয়াড় তৈরি করেছে। আমি জানি না, এখন ওদের সমস্যাটা কোথায়! তবে আশা করি, ওরা দ্রুত প্রত্যাবর্তন করবে।’