পন্ত ও পান্ডিয়ার সঙ্গে ধোনি এবং যুবরাজের তুলনা টেনে গাভাসকরের বড় ভবিষ্যদ্বাণী

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজের শেষ ম্যাচে হার্দিক পান্ডিয়া এবং ঋষভ পন্তের জুটি ভারতের হয়ে একটি দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়েছিল। তাদের জুটিতেই ম্যাচটিকে সহজে জিতেছিল ভারত। প্রাক্তন ভারতীয় কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর এই পার্টনারশিপ দেখে খুব খুশি হয়েছেন। ইংল্যান্ডের দেওয়া ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে একটা সময়ে ভারত মাত্র ৭২ রানে তাদের চার উইকেট হারিয়েছিল।

সেখান থেকে ঋষভ পন্ত ও হার্দিক পান্ডিয়ার জুটি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ১১৫ বলে ১৩৩ রান যোগ করে। হার্দিক ৭১ রানের অবদান রাখেন। অন্যদিকে, পন্ত ১২৫ রানে অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তাদের জুটিতে ভারত এই ম্যাচে পাঁচ উইকেটে জেতে।সুনীল গাভাসকর বিশ্বাস করেন যে দুজনেই একে অপরকে দারুণ সমর্থন করেছিলেন। কিংবদন্তির মতে ভারতের হয়ে একটা সময়ে যেই যুবরাজ সিং এবং এমএস ধোনি যেটা করত, সেটাই করে দেখিয়েছেন পন্ত ও পান্ডিয়া।

ঋষভ ও হার্দিকের অংশীদারিত্ব সম্পর্কে গাভাসকর বলেন, ‘হ্যাঁ, হার্দিক পান্ডিয়া এবং ঋষভ পন্ত অবশ্যই যুবরাজ এবং ধোনির মতো জুটি তৈরি করতে পারেন। দুজনেরই বড় ছক্কা মারার ক্ষমতা রয়েছে এবং তাদের মধ্যে ভালোই রানিং বিটুইন দ্য উইকেট দেখা গেছে।’হার্দিক পান্ডিয়া চোট কাটিয়ে বাইশ গজে ফিরে আসার পর থেকেই উজ্জ্বল দেখিয়েছে। ম্যাঞ্চেস্টার ওয়ানডেতে, পান্ডিয়া ব্যাটের আগে বল নিয়ে তার দক্ষতা দেখিয়েছিলেন।

সাত ওভারের বোলিংয়ে পান্ডিয়া তিনটি ওভার মেডেন করেন। ২৪ রান খরচ করে প্রতিপক্ষ দলের চার বড় ব্যাটসম্যানকে তার শিকারে পরিণত করেন। গাভাসকর মনে করেন, আসন্ন বিশ্বকাপে ফিট হার্দিক ভারতীয় দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। তিনি বলেন, ‘হার্দিক সময়মত প্রত্যাবর্তন করেছেন কারণ ভারতের একজন অলরাউন্ডারের নিদারুণ প্রয়োজন ছিল।

এখন তাদের পান্ডিয়া এবং জাদেজা দুজনেই আছেন যারা ব্যাট করার পাশাপাশি দশ ওভার বলও করতে পারেন। যে দলগুলো ১৯৮৩, ১৯৮৫, ২০১১ এবং ২০১৩ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছিল, প্রত্যেকটা দলের ভালো অলরাউন্ডার ছিল।’