পরিবেশকে বাঁচাতে প্লাস্টিক বোতল দিয়ে জুতো বানানো শুরু করে ২৩ বছরের যুবক,আজ কোটি টাকার ব্যবসা!

যেকোনো ধরনের প্লাস্টিক আমাদের পরিবেশের কতটা ক্ষতি করতে পারে এটা আমরা সবাই জানি, সরকারের তরফ থেকেও প্লাস্টিকের ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিন্তু তার সত্বেও অনেক মানুষ এরকম আছেন যারা এখনো প্লাস্টিকের ব্যবহার করে থাকেন, এমন কি দোকানদারের কাছ থেকে একটা পলিথিন না পেলে তারা দোকানদারের সাথে ঝামেলা পর্যন্ত করে থাকেন।

কিন্তু অন্যদিকে এমন একজন যুবক রয়েছে জিনিস এই ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতল এবং বিভিন্ন প্লাস্টিকের থলি থেকে জুতো তৈরি করে একদিকে যেমন পরিবেশকে রক্ষা করছেন অন্যদিকে একটা ব্যবসাতে পরিণত করেছেন। আর পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখতে বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকের বোতল জাতীয় বর্জ্য পদার্থকে ব্যবহার করে তিনি যে ব্যবসা শুরু করেছেন সেটিতে তিনি কোটি কোটি টাকার ইনকামও করছেন।

এই যুবকের নাম আশই ভাবে। চারপাশে যখন প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ে এত প্রশ্ন উঠছিল তখন ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে এই যুবক মাথায় বুদ্ধি নিয়ে আসেন এবং প্লাস্টিকের দশটি বোতল এবং বেশ কিছু প্লাস্টিকের থলি দিয়ে তিনি ১২ জোড়া জুতো তৈরি করে ফেলেন এবং তারপর তিনি দেখেন যে তার এই জুতো মানুষের ভীষণভাবে পছন্দ হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে তিনি আরো বেশি করে এটি তৈরি করতে থাকেন।

সবার প্রথমে তিনি বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকের থলি প্লাস্টিকের বদল এসব জোগাড় করেন এবং তারপর সেইগুলিকে গরম করে হিটিং টেকনিকের সাহায্যে জুতো তৈরি করার আসল পদার্থের পরিণত করেন এবং তারপর সেটিকে তিনি জুতোতে রূপান্তরিত করেন এবং এটাতে কোন রকমের কেমিক্যাল পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় না।।

এই যুবক দাবি করেছে যে সাধারণ মানুষ কোনভাবেই তার বানানো জুতো এবং বিভিন্ন ফ্যাক্টরি থেকে তৈরি হওয়া জুতো দুটোর মধ্যে কোনভাবেই পার্থক্য করতে পারবে না যে কোনটা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এমনভাবেই তারা জিনিসটিকে তৈরি করে থাকেন। তার কোম্পানি প্রত্যেক সপ্তাহে ১৫ হাজার জোড়া এই জুতো তৈরি করেন। নাইকি রিবক এডিডাস এর মত কোম্পানিদের সামনে দাঁড়িয়ে এত বড় ব্যবসার চালানোর সহজ ছিল না কিন্তু তিনি এই কাজটি করে দেখিয়ে দিলেন।