একটা চায়ের দোকান চালিয়ে সারাদিনের সব ইনকাম দিনশেষে গরিবদের বিলিয়ে দেন এই যুবক

কথায় বলে, দান করার যদি কারো সত্যি সত্যি ইচ্ছে থাকে তাহলে সে অবশ্যই দান করতে পারে এর জন্য গরীব বা বড় লোক হোক কিছুই খুব একটা যায় আসে না। তার ইচ্ছে থাকলে একটা গরিব মানুষ অনেককে সাহায্য করতে পারে, শুধু ইচ্ছে শক্তিটা দরকার। আর আজকে এই ধরনেরই একটি ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে যে নিজের সমস্ত ইনকাম গরিবদের মধ্যে বিলিয়ে দেন।

তার নাম সঞ্জয় চন্দ্রবংশী, পবিত্র নগরী গয়াতে তিনি বাস করেন এবং সেখানে তিনি একটি চায়ের ঠেলা চালান। যেখানে করে থাকেন সারাদিন আর সারাদিন দোকান চালিয়ে তিনি যে অর্থ উপার্জন করেন সেটি গরীব দুঃখী এবং অসহায় মানুষদের জন্য সমস্তটাই খরচা করে ফেলেন, তিনি বলছেন তিনি যতো গরিবই হোক না কেন যদি কেউ অসহায় মানুষ থাকে তাহলে তাকে সাহায্য করা থেকে তিনি নিজেকে আটকাতে পারেন না। তবে এর পিছনে একটা ইতিহাস রয়েছে..

শুধু যে তিনি সাহায্য করছেন এমনটাই নয়, তার বাবা দাদু স্বাধীনতার আগে থেকেই গরীব দুঃখী মানুষদের বরাবর সাহায্য করে আসছেন। বিহারের যে অংশে তিনি থাকেন সেখানে যেকোনো ধরনের ক্রাইমের রেট অনেকটা বেশি কিন্তু স্যার সত্ত্বেও নিজের ইনকামের একটা বড় অংশ তিনি বরাবর গরিবদেরকে দান করছেন সেটা কখনো আটকায়নি কোনভাবেই।

বর্তমানে গরিব দুঃখী মানুষদের জন্য একটি ভীষণ প্রাণধায় এই জায়গাতে পরিণত হয়েছে যেখানে কোন গরীব দুঃখী মানুষ গেলে খাবার পায় কখনো তাকে খালি হাতে ফিরতে হয় না। সোশ্যাল মিডিয়ার নেটিজেনরা এই যুবকের আত্মত্যাগ দেখে অবাক হচ্ছেন যেখানে সামান্য টাকার জন্য দেশে খুনাখুনি পর্যন্ত হচ্ছে সেখানে নিজের সমস্ত ইনকামটুকু তুলে দিচ্ছেন গরিব মানুষদের হাতে।

সঞ্জয় আর্থিকভাবে দুর্বল হলেও তার কাছে কখনো টাকার অভাব হয়নি তার প্রধান কারণ হলো এত এত মানুষকে সাহায্য করেন এবং এত এত মানুষের আশীর্বাদ সবসময় তার সাথে রয়েছে আর সেই কারণে তাদের পরিবারে কখনো অর্থের অভাব হয় না কোন না কোন ভাবে অর্থের যোগান এসে যায় এবং তিনি গরীব দুঃখী মানুষের সাহায্য করেন।