ভারতের এমন একটি গ্রাম যা বছরে একবারই জলের বাইরে আসে!কারণ জানলে অবাক হবেন

সারা ভারতে হাজার হাজার গ্রাম রয়েছে, বিগত অনেক বছর ধরে এই সমস্ত গ্রাম অশিক্ষা এবং কুসংস্কার যারা আচ্ছন্ন ছিল তবে এবার প্রায় দেশের প্রত্যেকটি গ্রামেই ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে গ্রামগুলিতেও এবার পাকা রাস্তা থেকে শুরু করে ইন্টারনেট সবকিছুর সুবিধা রয়েছে। কিন্তু এখনো এমন গ্রাম রয়েছে যেগুলি উন্নতির ধারে কাছেও আসতে পারেনি।

আর আজকে এই ধরনেরই একটি গ্রামের কথা আপনাদের এমন একটি গ্রামের কথা শোনাবো যে গ্রামটি বছরের 11 মাস জলের তলায় ডুবে থাকে এবং মাত্র একমাস সেটি জলের বাইরে আসে। এই গ্রামটি উপস্থিত রয়েছে গোয়ার কাছে, সারা বিশ্বের টুরিস্টদের কাছে গোয়া একটি খুবই আকর্ষণীয় জায়গা। কিন্তু এখানে একটি গ্রাম রয়েছে যেটি ১৯৮৬ সাল থেকে জলেই ডুবে থাকে।

স্থানীয়দের বক্তব্য যে এই গ্রামের মানুষ যেন এক সময় অন্য গ্রামের মতোই খুশি এবং আনন্দে বসবাস করত এবং প্রায় তিন হাজার মানুষ এই গ্রামে বাস করত। স্বাধীনতার আগে এই গ্রামটি পর্তুগিজদের কবলে ছিল এবং স্বাধীনতার পরে সেখানকার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কথা দেন যে এখানে একটি বাঁধ তৈরি করা হবে যাতে সকলের সুবিধা হয়।।

গ্রামের প্রায় ৬০০ টি পরিবারকে কিছু জমি এবং আর্থিক সহায়তা করে শুরু হয় এই বাঁধ নির্মাণ এবং এই গ্রামের মানুষদের সরিয়ে ফেলা হয় অন্য গ্রামে। তাদেরকে কথা দেওয়া হয়েছিল যে তাদেরকে খাবার জল এবং চাষবাসের জল সবকিছুই এই বাঁধ থেকে দেওয়া হবে।

এ সমস্ত পরিবারকে এই গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে সরানো হয়েছিল তাদেরকে কথা দেয়া হয়েছিল যে প্রত্যেকদিন ৪০ কোটি লিটার জল তাদেরকে দেওয়া হবে কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই কথা রাখা হয়নি। অত্যন্ত কষ্টের মধ্য দিয়ে তাদের জীবন কাটছে, আর তাদের আদি গ্রাম সেটা এখন জলের তলায়।